এসএওসিএল-এ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি!বছরের পর বছর লুটপাট সিন্ডিকেটের দখলে প্রতিষ্ঠান নতুন সিইও কি পারবেন সিন্ডিকেট ভাঙতে?
চট্টগ্রামের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড (এসএওসিএল)-এ দীর্ঘদিন ধরে চলমান দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এই প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর ধরে হাজার কোটি টাকার লুটপাট ও আর্থিক অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে, যা এখন আর শুধু অভিযোগ নয়—বরং প্রমাণিত বাস্তবতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে, প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের কবল থেকে মুক্ত করতে নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আবুল কালাম আজাদ-এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে চট্টগ্রামের সচেতন নাগরিক সমাজ ও “দুর্নীতি মুক্ত মানবিক বাংলাদেশ চাই” সংগঠন।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন,
“আমরা আশা করি নতুন সিইও কোনো ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে গড়ে ওঠা মাফিয়া চক্রকে সমূলে উৎপাটন করবেন। এসএওসিএল-এর হারানো গৌরব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে তার সাহসী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
উল্লেখ্য, নতুন সিইও মো. আবুল কালাম আজাদ পূর্বে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (অডিট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক ও সচেতন মহল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিনের দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের কারণে সরকারের শত শত কোটি টাকা তছরুপ হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।
নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়,
“সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ রক্ষা এবং লুটপাট বন্ধে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। নতুন সিইও’র দৃঢ়তা ও সততার মাধ্যমেই এসএওসিএল-কে দুর্নীতির অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের কার্যকর সহযোগিতা ও জনসচেতনতার সমন্বয়ে এসএওসিএল-এ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।
লেখক -
মুনীর চৌধুরী
আবাসিক সম্পাদক
চ্যানেল এস।
পরিচালক
ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া।
চেয়ারম্যান - দুর্নীতি মুক্ত মানবিক বাংলাদেশ চাই।