• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
Headline
বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর জোর দাবি।”সচেতন চট্টল্লাবাসী’ -স্বরাষ্ট মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা। চট্টগ্রামের ম্যারাথনে উজ্জ্বল সাফল্য, প্রথম স্থান অর্জন করলেন সাংবাদিক নেতা ওসমান গনি মনসুর কন্যা ডা. নওরীন জাহান রাহি। মানবিক সংগঠন “হাসি”র দীর্ঘ পথচলা: অসহায় মানুষের পাশে এক উজ্জ্বল নাম সচেতন চট্টলাবাসী’র আন্দোলনের মুখে বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামেই থাকছে, ৭ জুনের মানববন্ধন স্থগিত. অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পুলিশের ৫ কর্মকর্তা, গ্রেড-১ পদে উন্নীত ২ চমেক হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হলেন ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর মানহানিকর ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ প্রদান:মুন্সি নেছারের একাধিক বার মুচলেকা দিয়ে প্রতারণা- সৃষ্টি সুখের উজানে… আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ সিএমপি’র কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ০২জন আসামী গ্রেফতার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি: গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ, জনজীবনে নেমে আসছে নতুন সংকট

মানহানিকর ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ প্রদান:মুন্সি নেছারের একাধিক বার মুচলেকা দিয়ে প্রতারণা-

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

মানহানিকর ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ প্রদান:মুন্সি নেছারের একাধিক বার মুচলেকা দিয়ে প্রতারণা-

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা গ্রামের বাসিন্দা ছমির উদ্দিন মুন্সী নেছারের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুন্সী নেছার একই এলাকার আবদুল্লা (প্রকাশ আবুল কালাম) ও সাগেরা খাতুনের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তিনি স্থানীয় বাসিন্দা রাসেদুল হক চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা
অভিযোগ ও মিথ্যা মামলা দায়ের করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, মুন্সী নেছার নিজেও একাধিক মামলায় জড়িত থেকে একাধিকবার কারাভোগ করেছেন। এছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮-এর ২৫ ও ২৯ ধারায় দায়েরকৃত মামলা নং-২২৭/২০২২-এ গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন।
মুন্সি নেছার আদালতের নির্দেশে বেশ কয়েকবার মুচলেকা প্রদান করেন,
এবং আনোয়ারা থানায় একখানা আপোষ নামা দেয়।
একাধিক বার মুছলেহা ও আপোষনামার মাধ্যমে প্রতারণা এবং পরবর্তীতে পুনরায় মিথ্যা মামলা সহ মানহানিকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তিনি বর্তমানে রাসেদুল হক চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে বানোয়াট সংবাদ প্রকাশে ভূমিকা রাখছেন।
বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত “দুর্নীতি করে শত কোটি টাকার মালিক চট্টগ্রাম এলএ শাখার আলী আজম, স্ত্রীর নামে ৭ তলা ভবন ও প্রিমিয়াম গাড়ির অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাইফুল আজিম।
গত ৩১ মে পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার মক্কেল আলী আজম সম্পর্কে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। প্রতিবেদনে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে একতরফাভাবে তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, যার ফলে তার মক্কেলের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সুনাম ও পারিবারিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, সংবাদ প্রকাশের পূর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ কিংবা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করা আবশ্যক।
আইনজীবী মোহাম্মদ সাইফুল আজিম উল্লেখ করেন, প্রতিবেদনে যেসব ব্যক্তি, সম্পত্তি ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার অনেকগুলোই বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সংবাদে যেসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মালিকানা ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধান করা হয়নি।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, অতীতে বিভিন্ন সময়ে তার মক্কেল ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে অথবা খারিজ হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিল ও আদালতের নথিপত্র সংরক্ষিত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার মক্কেল ও পরিবারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। সর্বশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদনও সেই ধারাবাহিকতার অংশ বলে দাবি করা হয়।
প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট অনলাইন নিউজ পোর্টাল কর্তৃপক্ষকে প্রতিবাদলিপিটি গুরুত্বসহকারে প্রকাশ এবং সংবাদে উপস্থাপিত তথ্য পুনরায় যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়।
অন্যথায় প্রচলিত আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং মানহানি সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবাদকারী:
মোহাম্মদ সাইফুল আজিম
এলএল.বি (অনার্স), এলএল.এম
অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট বিভাগ) ও জজ কোর্ট, চট্টগ্রাম।

— প্রেস বিজ্ঞপ্তি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা