সরকারি গাড়িতে ‘মাদক চোরাচালান ও স্ত্রীর অভিযোগ’ সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ।
সম্প্রতি বিভিন্ন দৈনিক এবং অনলাইন পোর্টাল ” সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোশাকের আড়ালে মাদক চোরাচালান করেন এডিশনাল এসপি মোঃ আরিফ হোসেন: দাবি স্ত্রীর!” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে মাদক সরবরাহ, মাদক সেবন ও অনৈতিক সম্পর্কের যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য এই যে, এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক বিষয়। সামিয়া খান এশা একজন পেশাদার প্রতারক। নিজের পার্লার ব্যবসার আড়ালে পূর্বের বিয়ে গোপন করে একাধিক বিবাহ এবং পরিবারের তত্ত্বাবধায়নে সে সমাজের উচ্চবিত্ত, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে টাকার বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। এসব সত্য সামনে আসলে সামিয়া খান এশা ক্ষুব্ধ হয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে এই ধরণের কাল্পনিক ও মানহানিকর অভিযোগ তুলেছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আমি সর্বদা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠাবান। মাদক চোরাচালান বা কোনো ধরণের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে আমার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই।
গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য যাচাই না করে কেবল একপাক্ষিক অভিযোগের ভিত্তিতে এমন স্পর্শকাতর ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করায় আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত সামাজিক মর্যাদা ও পেশাগত ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।
তার এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড সহ্য করতে না পেরে গত ০৮/০২/২০২৬ খ্রীঃ আমি তাকে তালাক প্রদান করি যা জুন/২০২৬ খ্রীঃ কার্যকর হয়। আইনগতভাবে সে আমার স্ত্রী নয়। তাই স্ত্রী দাবী করে তার করা এসব অবান্তর অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই।
অতএব, সাংবাদিকতার নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রকৃত সত্য সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে আমার এই প্রতিবাদলিপিটি আপনার পত্রিকার আগামী সংখ্যায় একই পাতায় ও সমগুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
মো. আরিফ হোসেন
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডিশনাল এসপি)
সদর সার্কেল, জয়পুরহাট।
পত্রিকার নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পাঠানো প্রতিবাদলিপি অবিকল বা প্রয়োজনীয় সম্পাদনাসহ প্রকাশ করা হলো। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকলে তার ফলাফলের ওপর চূড়ান্ত সত্যতা নির্ভর করবে।