• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
Headline
বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর জোর দাবি।”সচেতন চট্টল্লাবাসী’ -স্বরাষ্ট মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা। চট্টগ্রামের ম্যারাথনে উজ্জ্বল সাফল্য, প্রথম স্থান অর্জন করলেন সাংবাদিক নেতা ওসমান গনি মনসুর কন্যা ডা. নওরীন জাহান রাহি। মানবিক সংগঠন “হাসি”র দীর্ঘ পথচলা: অসহায় মানুষের পাশে এক উজ্জ্বল নাম সচেতন চট্টলাবাসী’র আন্দোলনের মুখে বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামেই থাকছে, ৭ জুনের মানববন্ধন স্থগিত. অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পুলিশের ৫ কর্মকর্তা, গ্রেড-১ পদে উন্নীত ২ চমেক হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য হলেন ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর মানহানিকর ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ প্রদান:মুন্সি নেছারের একাধিক বার মুচলেকা দিয়ে প্রতারণা- সৃষ্টি সুখের উজানে… আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ সিএমপি’র কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ০২জন আসামী গ্রেফতার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি: গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ, জনজীবনে নেমে আসছে নতুন সংকট

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপ দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ওয়াদা:বিপিসির প্রধান কার্যালয় সরানোর পায়তারা আত্মঘাতী.৭ জুন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’র মানববন্ধন.

Reporter Name / ৪৬ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬

বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপ দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ওয়াদা:বিপিসির প্রধান কার্যালয় সরানোর পায়তারা আত্মঘাতী.৭ জুন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’র মানববন্ধন.

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড ময়দানের জনসভায় চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঘোষণা ছিল।
বিপিসির ৮ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ও চট্টগ্রামে
কার্যালয় সরানোর সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা
তরল পেট্রোলিয়াম জ্বালানি আমদানি, পরিশোধন, বিপণন ও নিয়ন্ত্রণের কাজ করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাতটির পুরোটাই চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। অথচ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় সরিয়ে নেওয়ার তোড়জোড় চলছে, যেটা সরালে শুধু ব্যয়ই বাড়বে কয়েকগুণ।
স্বাধীনতা পরবর্তীসময়ে গুরুত্ব অনুধাবন ও চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার উদ্দেশ্যে বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে নেওয়া হয়। ডিজিটাল যুগে শুধু নথিপত্র আদান-প্রদান এবং ভাড়া ভবনে প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম চালানোর ঠুনকো অজুহাতে বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
সচেতনমহল ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় নেওয়া হলে উল্টো জটিলতার পাশাপাশি অপারেশনাল ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। তাছাড়া চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার বিষয়ে বর্তমানে সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে।
জানা যায়, ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত পেট্রোবাংলার একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিল বিপিসি। ১৯৭৭ সালের ১ জানুয়ারি আলাদা অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিপিসি গঠিত হয়। দেশের রাষ্ট্রায়ত্ব জ্বালানি তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান কার্যালয় ও প্রধান ডিপো চট্টগ্রামে হওয়ায় এবং সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ নীতির কারণে ১৯৮৯ সালে বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হয়।
ইআরএলসহ বিপিসির আট অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের সবগুলোই চট্টগ্রামে
বিপিসির মালিকানা ও অংশীদারি সবগুলো প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে। বিশেষ করে বিপিসির শতভাগ মালিকানাধীন একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির (ইআরএল) অবস্থান চট্টগ্রামে।
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার বিষয়ে আমরা বদ্ধপরিকর। পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশে এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্বাচনি ঘোষণাও রয়েছে। সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রয়েছে, সেগুলো থাকা উচিত।-মেয়র শাহাদাত হোসেন।
পাশাপাশি তিন প্রধান বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলের প্রধান কার্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর মেইন ইনস্টলেশন (এমআই) প্রধান স্থাপনাগুলোও চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়। পাশাপাশি এলপি গ্যাস লিমিটেড (এলপিজিএল), স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পাানি লিমিটেড (এসএওসিএল), ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স পিএলসি (ইএলবিএল) এবং পেট্রোলিয়াম ট্রান্সমিশন কোম্পানি পিএলসির (পিটিসিপিএলসি) প্রধান কার্যালয়ও চট্টগ্রামে।
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানীর করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির অন্তরায়
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড ময়দানের জনসভায় চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে তা হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বিরুদ্ধ- এমনটাই বলছেন মানবাধিকার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান।
‘চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঘোষণা ছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে নির্বাচনি ওয়াদা দিয়েছিলেন।’
বিপিসিতে বর্তমানে যেসব পরিচালক রয়েছেন তারা আমলা হলেও বিপিসির একজন মহাব্যবস্থাপকের মতোও অপারেশন চালানোর দক্ষতা পাওয়া যাবে না। শুধু আমলাদের সুবিধার জন্য বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। এতে কমার বদলে ব্যয় আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।-বিপিসির অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক আবু হানিফ.
একসময়ে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার উদ্দেশ্যেই পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, শিপিং করপোরেশন ও চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে আনা হয়েছিল জানিয়ে বলেন, ‘এখন শোনা যাচ্ছে পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।’
‘যদি পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে এটি হবে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ওয়াদার বরখেলাপ।’- এমনটাই মনে করছেন চট্টগ্রামের এ সিনিয়র আইনজীবী।
‘পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামেই রেখে বাণিজ্য সংক্রান্ত সরকারি আরও কয়েকটি দপ্তরের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে নিয়ে আসা উচিত। পাশাপাশি হাইকোর্টের একটি স্থায়ী বেঞ্চও চট্টগ্রামে স্থাপন করা উচিত। তাহলে বাণিজ্যিক রাজধানী করার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার বাস্তবায়ন সহজতর হবে।’ যোগ করেন তিনি।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার বিষয়ে আমরা বদ্ধপরিকর। পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশে এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্বাচনি ঘোষণাও রয়েছে। সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে যেসব সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রয়েছে, সেগুলো থাকা উচিত।’
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের প্রধান কার্যালয়ও চট্টগ্রামে থাকা উচিত। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানকে চট্টগ্রামে প্রধান কার্যালয়ে অফিস করার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া উচিত।’
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার উদ্দেশ্যে শিপিং করপোরেশন ও চা বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে আনা হয়। সত্যিকার অর্থে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে হলে সরকারি আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে আনতে হবে। কোনোক্রমেই বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না।
বিপিসির মালিকানা প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারির সাবেক মহাব্যবস্থাপক ও ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (ইআইবি) চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মনজারে খোরশেদ আলম বলেন, ‘বিপিসির প্রায় ৯০ শতাংশ কার্যক্রম চট্টগ্রামে। তেল আমদানি ও পরিশোধন হয় চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম থেকেই সারাদেশে তেল পাঠানো হয়। একমাত্র রিফাইনারি ও এসপিএম (সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং) চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম থেকে পাম্পিং করে পাইপলাইনে ঢাকায় তেল নেওয়া হচ্ছে। আবার আমদানির এলসি হয় চট্টগ্রামে। কাস্টমসের শুল্কায়ন কার্যক্রম এবং বন্দর সেবাও চট্টগ্রামে। সবমিলিয়ে বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় নিয়ে যাওয়া বুমেরাং হবে।’
এ বিষয়ে কথা হয় বিপিসির অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক আবু হানিফের সঙ্গে। তিনি দীর্ঘদিন বিপিসির বিপণন, বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিপিসিতে বর্তমানে যেসব পরিচালক রয়েছেন তারা আমলা হলেও বিপিসির একজন মহাব্যবস্থাপকের মতোও অপারেশন চালানোর দক্ষতা পাওয়া যাবে না। শুধু আমলাদের সুবিধার জন্য বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। এতে কমার বদলে ব্যয় আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সবগুলোর প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে, প্রধান স্থাপনাগুলো চট্টগ্রামে, সে কারণে বিপিসির কার্যক্রমে আরও জটিলতা তৈরি হবে। বর্তমান সরকারকে সমালোচনায় ফেলার জন্য পেছন থেকে কেউ ষড়যন্ত্র করছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্যই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এটি হলে পুরো চট্টগ্রামে রাজনৈতিভাবেও অস্থিরতা তৈরি হবে।’
৭ই জুন রাজপথে নামছে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’
বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের এই প্রশাসনিক ষড়যন্ত্র ও বৈষম্যের পাঁয়তারার প্রতিবাদে এবার চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ। ‘সচেতন চট্টলাবাসী ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী-সুশীল সমাজ’-এর যৌথ উদ্যোগে আগামী ৭জুন ২০২৬, রবিবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিশাল বিক্ষোভ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে
জানান মানববন্ধন শেষে একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের (ডিসি) মাধ্যমে সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন। স্মারকলিপিতে চট্টগ্রামে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক নিজস্ব ভবনটি ঢাকাতে না নিয়ে অবিলম্বে চট্টগ্রামে চালু করার জোর দাবি জানানো হবে।
এই কর্মসূচির পোস্টারে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, আইনজীবী, ছাত্র-জনতা ও সচেতন নাগরিক সমাজকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—”বিপিসি চট্টগ্রামেই থাকবে, চট্টগ্রামের অধিকার চট্টগ্রামেই থাকবে।” বাণিজ্যিক রাজধানীর মর্যাদা রক্ষা এবং আঞ্চলিক বৈষম্য বন্ধে এই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
আয়োজকদের পক্ষে মুনীর চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেন, চট্টগ্রামে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর আধুনিক নিজস্ব ভবন প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু না করে ‘লিয়াজোঁ অফিস’-এর আড়ালে পুরো কার্যালয় ঢাকায় সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। এটি চট্টগ্রামের ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ মর্যাদার ওপর চরম আঘাত এবং সুস্পষ্ট আঞ্চলিক বৈষম্যের বহিঃপ্রকাশ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অতীতেও একের পর এক ব্যাংক, বীমা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের মাধ্যমে দেশের প্রধান বন্দরনগরীকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করা হয়েছে।
এবার বিপিসিকে সরিয়ে নেওয়ার যেকোনো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত চট্টগ্রামের জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না এবং সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।
উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, আইনজীবী, ছাত্র-জনতা ও সচেতন নাগরিক সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে যথাসময়ে উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিপিসি কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের চক্রান্তের প্রতিবাদে ৭ জুন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’র মানববন্ধন.

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের চক্রান্তের প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে নাগরিক সংগঠন ‘সচেতন চট্টলাবাসী’।
বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের এই প্রশাসনিক ষড়যন্ত্র ও বৈষম্যের পাঁয়তারার প্রতিবাদে আগামী ৭ জুন ২০২৬ইং, রবিবার, বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন এর আয়োজন করেছে নাগরিক উন্নয়ন
সংগঠন সচেতন চট্টলাবাসী।মানববন্ধন শেষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করবে সংগঠনটি।
যোগাযোগ ও সৌজন্যে:
সচেতন চট্টলাবাসী’র পক্ষে
মুনীর চৌধুরী

নোমান উল্লাহ বাহার।
🌐https://jantechaijanatechai.com
📧 mchypd@gmail.com


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা