চট্টগ্রাম-৯ আসনের নবনির্বাচিত এমপি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় এলাকাবাসী
দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও চট্টগ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে উঠেছে গণদাবি
স্টাফ রিপোর্টার
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখতে চান এলাকাবাসী। দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, গণমানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং চট্টগ্রামের উন্নয়ন ভাবনার কারণে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি এখন স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক কর্মীদের মতে, চট্টগ্রামের মতো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নগরীর উন্নয়নে একজন অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রয়োজন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় নেতৃত্বে
মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় আশির দশকে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে। ছাত্র রাজনীতির মাঠ থেকে উঠে এসে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। ১৯৮৭ সালে নগর ছাত্রদলের সভাপতি এবং ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের চট্টগ্রাম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
চট্টগ্রামের উন্নয়নে প্রয়োজন নীতিনির্ধারণী ভূমিকা
চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের সমস্যা জলাবদ্ধতা, যানজট, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগের প্রত্যাশা রয়েছে নগরবাসীর।
সাধারণ মানুষের দাবি—চট্টগ্রামের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একজন যোগ্য প্রতিনিধি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থাকলে বন্দরনগরীর সমস্যা সমাধানে গতি আসতে পারে।
“ক্ষমতা নয়, জনগণের সেবা”
নির্বাচনের পর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বিভিন্ন বক্তব্যে জানিয়েছেন, রাষ্ট্র বা দল তাকে যে দায়িত্ব দেবে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন। তার মতে, জনপ্রতিনিধিত্ব মানে জনগণের ওপর কর্তৃত্ব নয়, বরং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করা।
চট্টগ্রামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী করার দাবি-
সম্প্রতি চট্টগ্রামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাংবাদিক মুনীর চৌধুরীর নেতৃত্বে নাগরিক উন্নয়ন সংগঠন “সচেতন চট্টলাবাসী” ১২ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে
স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো ও নাগরিক সুবিধা উন্নয়নে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন বলে মনে করছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম-৯ আসনের মানুষের প্রত্যাশা—দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও চট্টগ্রামের স্বার্থ বিবেচনায় মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে বন্দরনগরীর উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।