নিউজ করলে কিছু হয় না, জেলা রেজিস্ট্রার, নিবন্ধন অধিদপ্তর সহ মন্ত্রালয় পযন্ত ভাগের টাকা পৌঁছে দেই!কোটিপতি ঝাড়ুদার আহাদ.
আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ।
অভিযোগ প্রকাশের পরও থামেনি অনিয়ম, আরও বেপরোয়া চক্র—ভুক্তভোগীদের দাবি।
নিজস্ব প্রতিবেদক | আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামের আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে দলিল জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি এবং সংঘবদ্ধ অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একাধিক সেবাগ্রহীতা, দলিল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র অফিসটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। অভিযোগ রয়েছে, অনিয়মের প্রতিবাদ বা অভিযোগ করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দাখিলের পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি; বরং অভিযুক্ত চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
একাধিক অভিযোগকারী দাবি করেন, অফিসের একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী (ঝাড়ুদার) আহাদ নিজেকে অত্যন্ত প্রভাবশালী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময়ে এমন মন্তব্য করেছেন যে, সংবাদ প্রকাশ করেও কোনো লাভ হবে না
জেলা রেজিস্ট্রার, নিবন্ধন অধিদপ্তর সহ মন্ত্রালয় পযন্ত ভাগের টাকা পৌঁছে দেই!
এবং ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে প্রভাব থাকার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, সাব-রেজিস্ট্রার জুবাইরের দায়িত্বকালেই নানা অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ঘাটতির অভিযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার জুবাইরের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে অভিযোগে উল্লিখিত আহাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
জেলা রেজিস্ট্রার, নিবন্ধন অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
(চলবে)