২০ লাখ টাকার জয়েনিং, পরে আরও ৩০ লাখ টাকার চুক্তি?” বিপিসিতে ডিএলও পদে মোঃ নিয়াজ মোর্শেদের নিয়োগ নিয়ে উঠছে অভিযোগ।
জ্বালানি খাতে নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে নিয়োগকে ঘিরে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের সারসংক্ষেপ-
• যোগদানের আগে ২০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ
• পরে আরও ৩০ লাখ টাকার চুক্তির দাবি
• নিয়োগে প্রভাবশালী সুপারিশের ভূমিকার অভিযোগ
• স্বচ্ছতা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
প্রধান প্রশ্ন?
নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ছিল?
আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা কী?
জ্বালানি খাতে নিয়োগ বাণিজ্য কি নতুন বাস্তবতা?
একাধিক সূত্রের দাবি—
“কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগে আর্থিক লেনদেন এখন ওপেন সিক্রেট।”
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন—
রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে যদি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সত্য হয়, তবে তা
প্রশাসনিক স্বচ্ছতার জন্য বড় প্রশ্ন
জবাবদিহিতার সংকট তৈরি করতে পারে-
জনস্বার্থে দাবি-
• স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন
• দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত
• নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা
• দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা
অনুসন্ধান অব্যাহত-
২০ লাখ টাকার জয়েনিং, পরে আরও ৩০ লাখ টাকার চুক্তি?” বিপিসিতে ডিএলও পদে মোঃ নিয়াজ মোর্শেদের নিয়োগ নিয়ে উঠছে অভিযোগ।
এই নিয়োগ প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট অভিযোগ নিয়ে আমাদের অনুসন্ধান নিউজ ঠীম মাঠে কাজ করছে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।