• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
Headline
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের দায়িত্ব গ্রহণ সাহস, দক্ষতা ও নেতৃত্বের প্রতীক সিএমপি ডিসি (নর্থ) আমিরুল ইসলাম সাংবাদিক মুনীর চৌধুরীর নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলনের মুখে পিছু হটল বিপিসি: পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানীর দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ১২ দফা স্মারকলিপি দিল ‘সচেতন চট্টলাবাসী’. চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ: সচেতন নাগরিকবৃন্দের বক্তব্য. আনোয়ারায় ৪১৮৯ কোটি টাকার চীনা শিল্পাঞ্চল একনেকে অনুমোদন : প্রধানমন্ত্রীকে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’র ধন্যবাদ. চট্টগ্রাম-৯ আসনের নবনির্বাচিত এমপি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় এলাকাবাসী পুলিশের সুখ দুঃখ – বাংলাদেশ পুলিশের অদৃশ্য জীবন দায়িত্বের পাহাড়ে নুয়ে পড়া এক জীবন:পুলিশের অদৃশ্য বাস্তবতা. প্রতিবাদলিপি- চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ আওয়ামী আমলের ‘একচেটিয়া নিয়ন্ত্রক’ বন্দরখেকো মাফিয়া এখন ‘দেশপ্রেমিক বিনিয়োগকারী-নেপথ্যে দুই এমপির নতুন সিন্ডিকেট! পুলিশের সুখ দুঃখ – পুলিশের নন-ক্যাডার ও ক্যাডার কাঠামোর বৈষম্য:পদোন্নতি জটিলতা ও গ্রেড ব্যবধান ঘিরে পুলিশের অভ্যন্তরে অসন্তোষ.

ওসির অমানবিক আচরণ: ২দিন পুলিশি হেফাজতে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ধ্বংসের দায় কার?

Reporter Name / ১৮১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

ওসির অমানবিক আচরণ: ২দিন পুলিশি হেফাজতে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ধ্বংসের দায় কার?

চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানায় (২দিন) পুলিশি হেফাজতে থাকার কারণে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক (প্র্যাক্টিক্যাল) পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
মে মাসের শেষের দিকে বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান তাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ন্যূনতম সুযোগটুকু দেননি।
একটি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ ১০ বছরের কঠোর পরিশ্রম ও সাধনার ফসল হলো এসএসসি পরীক্ষা। পরিবারের পক্ষ থেকে ওসির কাছে বারবার আকুতি-মিনতি করা হলেও ওসির অনমনীয় ও নিষ্ঠুর মনোভাবের কারণে ছেলেটি পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে পারেনি। এর ফলে শিক্ষার্থীটির একটি মূল্যবান বছর পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেল এবং তার পুরো শিক্ষাজীবন এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে।
মানবাধিকার নেতা এডভোকেট লোকমান হাকিম চৌধুরী বলেন
যেকোনো নাগরিকের অপরাধ বা সন্দেহ থাকলে দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার হবে। কিন্তু ২দিন পুলিশি হেফাজতে রেখে একজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, কাস্টডিতে বা কারাগারে থাকা অবস্থায়ও পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার সুব্যবস্থা করতে হবে। ওসির এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অমানবিক আচরণ দেশের আইন এবং মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।
আমরা এই অমানবিক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে, একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ ধ্বংস করার দায়ে বাকলিয়া থানার ওসির বিরুদ্ধে অবিলম্বে বিভাগীয় তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন—আইনি জটিলতা কাটিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বিশেষ ব্যবস্থায় ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ আছে কি না, তা যেন মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা