সাহস, দক্ষতা ও নেতৃত্বের প্রতীক সিএমপি ডিসি (নর্থ) আমিরুল ইসলাম
উল্লেখযোগ্য
বাকলিয়ার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অভিযুক্ত আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ডিসি (নর্থ) আমিরুল ইসলাম-এর সাহসী নেতৃত্ব, পেশাদারিত্ব ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা আবারও প্রশংসিত হয়েছে নগরবাসীর কাছে। সম্প্রতি বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে এনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যানঘাটার বিসমিল্লাহ ম্যানশন এলাকায় এক শিশুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্তকে শাস্তির দাবিতে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, উত্তেজিত জনতা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে।
খবর পেয়ে সিএমপির ডিসি (নর্থ) আমিরুল ইসলাম দ্রুত বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি নিজে মাঠে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। উত্তেজিত জনতার সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হলেও একপর্যায়ে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে।
তবে ডিসি আমিরুল ইসলামের দৃঢ় নেতৃত্ব ও সাহসী পদক্ষেপের ফলে পুলিশ পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সংকটময় মুহূর্তে একজন পুলিশ কর্মকর্তার যে ধরনের সাহস, বিচক্ষণতা ও পেশাদারিত্ব প্রয়োজন, ডিসি আমিরুল ইসলাম তার উজ্জ্বল উদাহরণ স্থাপন করেছেন। অনেকেই মনে করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এমন দায়িত্বশীল ও মাঠমুখী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি জনসাধারণের আস্থা আরও বাড়িয়ে তোলে।
বিশ্লেষকদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব হলো অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিচার প্রক্রিয়াকে আইনের আওতায় পরিচালিত করা। বাকলিয়ার ঘটনাটি প্রমাণ করেছে যে, উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতেও পেশাদার নেতৃত্ব ও দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব।
জনমনে ইতিবাচক ভাবমূর্তি-
চট্টগ্রামবাসীর একটি বড় অংশের মতে, ডিসি (নর্থ) আমিরুল ইসলাম একজন কর্মঠ, জনবান্ধব ও সাহসী পুলিশ কর্মকর্তা। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংকট মোকাবিলায় তার সক্রিয় ভূমিকা ইতোমধ্যে নগরবাসীর নজর কেড়েছে।