• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
Headline
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের দায়িত্ব গ্রহণ সাহস, দক্ষতা ও নেতৃত্বের প্রতীক সিএমপি ডিসি (নর্থ) আমিরুল ইসলাম সাংবাদিক মুনীর চৌধুরীর নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলনের মুখে পিছু হটল বিপিসি: পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানীর দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ১২ দফা স্মারকলিপি দিল ‘সচেতন চট্টলাবাসী’. চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ: সচেতন নাগরিকবৃন্দের বক্তব্য. আনোয়ারায় ৪১৮৯ কোটি টাকার চীনা শিল্পাঞ্চল একনেকে অনুমোদন : প্রধানমন্ত্রীকে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’র ধন্যবাদ. চট্টগ্রাম-৯ আসনের নবনির্বাচিত এমপি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় এলাকাবাসী পুলিশের সুখ দুঃখ – বাংলাদেশ পুলিশের অদৃশ্য জীবন দায়িত্বের পাহাড়ে নুয়ে পড়া এক জীবন:পুলিশের অদৃশ্য বাস্তবতা. প্রতিবাদলিপি- চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ আওয়ামী আমলের ‘একচেটিয়া নিয়ন্ত্রক’ বন্দরখেকো মাফিয়া এখন ‘দেশপ্রেমিক বিনিয়োগকারী-নেপথ্যে দুই এমপির নতুন সিন্ডিকেট! পুলিশের সুখ দুঃখ – পুলিশের নন-ক্যাডার ও ক্যাডার কাঠামোর বৈষম্য:পদোন্নতি জটিলতা ও গ্রেড ব্যবধান ঘিরে পুলিশের অভ্যন্তরে অসন্তোষ.

আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব!ঝাড়ুদারের নিয়ন্ত্রণে অফিস:সাব-রেজিস্ট্রারের ঘুষ, দলিল জালিয়াতি ও কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি.

Reporter Name / ৪০ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব!ঝাড়ুদারের নিয়ন্ত্রণে অফিস:সাব-রেজিস্ট্রারের ঘুষ, দলিল জালিয়াতি ও কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি.

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন- (১)
চট্টগ্রামের আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে ঘিরে ভয়াবহ দুর্নীতি, দলিল জালিয়াতি, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি এবং প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্যের বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ জুবাইর হোসেন এবং অফিসের দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আবদুল আহাদ।
দুদকে অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশ, ভিডিও ভাইরাল—তবুও বহাল তবিয়তে দুর্নীতির সিন্ডিকেট!
আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ, জালিয়াতি ও রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ক্ষুব্ধ সেবাগ্রহীতারা
চট্টগ্রামের আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে চলমান ঘুষ বাণিজ্য, দলিল জালিয়াতি ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে একাধিকবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ এবং ভিডিও প্রমাণ সামনে এলেও রহস্যজনক কারণে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগের পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুর্নীতির সিন্ডিকেট আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ জুবাইর হোসেনের দায়িত্বকালেই অফিসে সংঘবদ্ধ দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। অফিসের দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার হিসেবে পরিচিত আবদুল আহাদ প্রকাশ্যে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে অর্থ আদায় করছেন—এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দলিল নিবন্ধন, জমির শ্রেণি পরিবর্তন, নকল উত্তোলন, রেকর্ড অনুসন্ধানসহ প্রায় সব সেবাতেই অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
একাধিক দলিল সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে, প্রকৃত সম্পত্তির মূল্য গোপন করে কম মূল্য দেখিয়ে দলিল নিবন্ধনের মাধ্যমে নিয়মিত সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে। একই জমি একাধিক দলিলে নিবন্ধন এবং ভূয়া দলিল সৃষ্টির অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন,
“দুদকে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। বরং অভিযোগের পর দালালচক্র আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে।”
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—ভিডিও, দলিল ও লিখিত অভিযোগ থাকার পরও কেন কার্যকর তদন্ত হচ্ছে না? কার স্বার্থে এই নীরবতা?
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে সুশাসন ও দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করা ব্যক্তিরা বলছেন, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
(চলবে)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা