• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
Headline
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের দায়িত্ব গ্রহণ সাহস, দক্ষতা ও নেতৃত্বের প্রতীক সিএমপি ডিসি (নর্থ) আমিরুল ইসলাম সাংবাদিক মুনীর চৌধুরীর নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলনের মুখে পিছু হটল বিপিসি: পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানীর দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ১২ দফা স্মারকলিপি দিল ‘সচেতন চট্টলাবাসী’. চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প সংক্রান্ত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ: সচেতন নাগরিকবৃন্দের বক্তব্য. আনোয়ারায় ৪১৮৯ কোটি টাকার চীনা শিল্পাঞ্চল একনেকে অনুমোদন : প্রধানমন্ত্রীকে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’র ধন্যবাদ. চট্টগ্রাম-৯ আসনের নবনির্বাচিত এমপি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় এলাকাবাসী পুলিশের সুখ দুঃখ – বাংলাদেশ পুলিশের অদৃশ্য জীবন দায়িত্বের পাহাড়ে নুয়ে পড়া এক জীবন:পুলিশের অদৃশ্য বাস্তবতা. প্রতিবাদলিপি- চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ আওয়ামী আমলের ‘একচেটিয়া নিয়ন্ত্রক’ বন্দরখেকো মাফিয়া এখন ‘দেশপ্রেমিক বিনিয়োগকারী-নেপথ্যে দুই এমপির নতুন সিন্ডিকেট! পুলিশের সুখ দুঃখ – পুলিশের নন-ক্যাডার ও ক্যাডার কাঠামোর বৈষম্য:পদোন্নতি জটিলতা ও গ্রেড ব্যবধান ঘিরে পুলিশের অভ্যন্তরে অসন্তোষ.

চট্টগ্রামে জনবান্ধব ও মানবিক প্রশাসনের নতুন দিগন্ত :টেবিলের গন্ডি পেরিয়ে জনতার কাতারে -ডিসি জাহিদুল ইসলামের মানবিক পথচলা.

Reporter Name / ১২১ Time View
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

:চট্টগ্রামে জনবান্ধব ও মানবিক প্রশাসনের নতুন দিগন্ত :টেবিলের গন্ডি পেরিয়ে জনতার কাতারে -ডিসি জাহিদুল ইসলামের মানবিক পথচলা.

বিশেষ প্রতিবেদন-
চট্টগ্রামে জনবান্ধব ও মানবিক প্রশাসনের নতুন দিগন্ত :টেবিলের গন্ডি পেরিয়ে জনতার কাতারে -ডিসি জাহিদুল ইসলামের মানবিক পথচলা।
চট্টগ্রামে মানবিক প্রশাসনের প্রতিচ্ছবি: ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
প্রশাসনিক জটিলতা দূর করে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং সরকারি দফতরকে সত্যিকারের ‘জনবান্ধব’ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যেকোনো সিভিল সার্ভেন্টের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জকে জয় করে যিনি আজ আপামর জনসাধারণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন, তিনি হলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। দেশের বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালনকালে তাঁর ব্যতিক্রমী ও কল্যাণমুখী পদক্ষেপের জন্য তিনি ইতোমধ্যে “মানবিক ডিসি” হিসেবে দেশজুড়ে এক অনন্য পরিচিতি লাভ করেছেন।
কর্মজীবন ও জনবান্ধব দর্শন
২৫তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা এর আগে রাজবাড়ী ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় জেলা প্রশাসক হিসেবে অত্যন্ত সফল ও প্রশংসিত ভূমিকা পালন করেছেন। গত নভেম্বর ২০২৫-এ চট্টগ্রামের ৩৪তম জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—চট্টগ্রামে একটি স্বচ্ছ, গতিশীল এবং জবাবদিহিমূলক মানবিক প্রশাসন গড়ে তোলার। কর্মক্ষেত্রে তিনি শুধু টেবিল-চেয়ারের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে অংশীদার হতে ভালোবাসেন।
দেশজুড়ে সাড়া জাগানো মানবিক উদ্যোগসমূহ
মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার মানবিক উদ্যোগের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
* দুস্থ ও প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন: সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে তিনি নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে বহু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও শারীরিক প্রতিবন্ধীকে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং হুইলচেয়ার বিতরণ করেছেন।
* শহীদ ও দুস্থ পরিবারকে সহায়তা: আন্দোলন ও বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পুনর্বাসন এবং চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদানে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন।
* মধ্যরাতে শীতার্তদের পাশে: কনকনে শীতে যখন ছিন্নমূল মানুষ ফুটপাতে কষ্ট পায়, তখন তিনি নিজেই গভীর রাতে কম্বল হাতে ছুটে যান রেলস্টেশন, সিআরবি ও ডিসি হিলসহ বিভিন্ন বস্তি এলাকায়।
* ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ: কারাবন্দিদের মানসিক বিকাশে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন, এতিমখানার শিশুদের নতুন পোশাক ও ইফতার উপহার দেওয়ার মতো ভিন্নধর্মী উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি মানবিকতার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
সুশাসন ও বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান
মানবিক মনের পাশাপাশি তিনি একজন দক্ষ ও দৃঢ়চেতা প্রশাসক। চট্টগ্রামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে তিনি নিয়মিত মনিটরিং ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন, অবৈধ দখলদারিত্ব উচ্ছেদ (যেমন: জঙ্গল সলিমপুর অভিযান) এবং সুশাসন নিশ্চিতে তিনি জেলা পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ সম্প্রতি একটি অভিযোগহীন ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতেও তাঁর ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর
নিয়মিত গণশুনানির মাধ্যমে তিনি প্রতিদিন সরাসরি সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনছেন এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের ব্যবস্থা করছেন। কোনো রকম মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের হয়রানি ছাড়াই সাধারণ মানুষ সরাসরি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে তাদের সমস্যার কথা বলতে পারছে।
সিভিল সার্ভিসের চিরাচরিত কঠোর রূপের বাইরে গিয়ে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমাণ করেছেন যে, আমলাতন্ত্রের মূল লক্ষ্যই হলো জনগণের সেবা করা। তাঁর এই মানবিক ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব দেশের অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। চট্টগ্রামের সচেতন মহলের প্রত্যাশা, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন জনগণের শেষ ভরসাস্থল হিসেবে আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা