এসপি শামীমা পারভীনের নির্দেশনা: ঢাকা জেলার পশুর হাটগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা.
নিজস্ব প্রতিবেদক-
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঢাকা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা, কোরবানির পশুর হাটসমূহে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা এবং যানজট নিরসনে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে ঢাকা জেলা পুলিশ। ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় পশুর হাটগুলোতে কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি সড়ক ও মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের বিশেষ নির্দেশনায় এবার পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি হাটে পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে কোনো ধরনের পকেটমার, মলম পার্টি বা অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে না পড়েন, সে জন্য সার্বক্ষণিক মাইকিং ও সতর্কতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। পশু কেনাবেচায় জাল নোটের ব্যবহার রোধে প্রতিটি হাটে বসানো হয়েছে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ।
পশুবাহী যানবাহনের কারণে যাতে মহাসড়ক বা সংযোগ সড়কগুলোতে কোনো ধরনের যানজটের সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে জেলা ট্রাফিক বিভাগকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট হাটের বাইরে যত্রতত্র পশুবাহী ট্রাক থামানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং প্রতিটি হাটের প্রবেশ ও বাহির পথ সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। মহাসড়কে চাঁদাবাজি রোধে ঢাকা জেলা পুলিশ “জিরো টলারেন্স” নীতি ঘোষণা করেছে।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন জানান, “জনসাধারণ যাতে নির্বিঘ্নে পশুর হাটে যাতায়াত করতে পারেন এবং কোরবানির পশু নিরাপদে বাড়ি নিয়ে যেতে পারেন, সে জন্য ঢাকা জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পশুর হাটের শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং পশুর হাটের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঢাকা জেলা পুলিশ সর্বস্তরের নাগরিক, ব্যবসায়ী ও হাট ইজারাদারদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে।